Logo
সর্বশেষ :
মৌলভীবাজারে লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড ‘মিরর’-এর ১৩ তম শোরুম উদ্বোধন মৌলভীবাজারে কৃষি ও কৃষক রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক কমিটি গঠন রাজনগর উপজেলায় এসএমসি‘র উদ্দ্যোগে বন্যা কবলিত গোল্ডস্টার মেম্বারদের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ স্বামীর মুখে তালাকের কথা শুনে অভিমানে গৃহবধূর আত্মহত্যা জঙ্গল সলিমপুর নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন, কিন্তু গোলাবাড়ি কেন নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছেন না?— প্রশ্ন এমপি মনিরুলের যশোরে দুই কোটি টাকার ১৩ পিচ স্বর্ণের বারসহ এক পাচারকারী আটক পাবনায় বালু উত্তোলন নিয়ে দুইগ্রুপের সংঘর্ষ, বিএনপিকর্মী নিহত জামালপুরে আন্তর্জাতিক মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী দিবস পালিত ছেলেকে বিমানে উঠিয়ে দিয়ে স্টোক করে বাবার মৃত্যু চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১৪ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার

“পাকা রাস্তা হবে শুনতে শুনতেই বুড়ো হয়ে গেছি”

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি :
প্রকাশিত : সোমবার, ২৭ মার্চ, ২০২৩

বর্ষার সময় কাঁচা রাস্তায় চলাচল করা কষ্টকর হয়ে পড়ে। করিমপুর থেকে শ্রমিকরা পায়ে হেটে কাজে যেতে হয়। ঝড় বৃষ্টি মাথায় করে আমাদের দূরের পথ হেটে কাজে যেতে হয়। রাস্তা পাকা হবে এই কথা শুনতে শুনতে আমি বুড়ো হয়ে গেছি। ইন্দেশ্বর ফাঁড়ি বাগানের করিমপুর-ইন্দেশ্বর রাস্তায় দাঁড়িয়ে এমন কথা বলছিলেন মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার মুন্সিবাজার ইউনিয়নের ইন্দেশ্বর চা বাগানের নারী চা শ্রমিক পাপামা নাইডু।

 

শ্রমিকরা জানান, শত বছরের ঐতিহ্যবাহী কুলাউড়া উপজেলার লুয়াইনি হতে করিমপুর ইন্দেশ্বর হয়ে ফেঞ্চুগঞ্জ পর্যন্ত রাস্তাটি কাচা রয়ে গেছে। বিভিন্ন সময় এমপি-মন্ত্রীরা আশ্বাস দিয়েছেন। কিন্তু কোনো সরকারের আমলেই রাস্তাটি পাকা করা হয়নি। এমনকি ইট সলিং পর্যন্তও করা হয়নি। বর্ষাকালে কাদা মাড়িয়েই চা শ্রমিকদের সন্তানরা অনেক দূরের স্কুলে লেখাপড়া করতে যায়। তবু এই রাস্তার দিকে নজর পড়ে না কারো।

 

বাগানের চা শ্রমিক শিশুদের লেখাপড়ার জন্য একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কথা থাকলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি বলে দাবি করেন শ্রমিকরা। এসব দাবি নিয়ে রোববার (২৬ মার্চ) বেলা ১টার দিকে ইন্দেশ্বর ফাঁড়ি বাগানের কয়েক শত চা শ্রমিক রাস্তায় মানববন্ধন করেছেন।

বাগানের শ্রমিক মাখন রিকমন বলেন, সরকার দেশে এতো এতো উন্নয়ন করেছে দেখি। কিন্তু আমাদের একশো বছরের ঐতিহ্যবাহী রাস্তাটি কাচা রয়ে গেল। কতো এমপি-মন্ত্রীর কাছে রাস্তাটি পাকা করার জন্য বাগানের লোকজন গেছে। সবাই শুধু আশ্বাস দেয়। কাজের কাজ কিছু হয় না।

আরেক চা শ্রমিক সুজন পাল বলেন, বর্ষাকালে এই রাস্তা চলাচলের যোগ্য থাকে না। তখন আমাদের শ্রমিকরা দুর্ভোগ পোহায়, স্কুলগামী ছাত্র ছাত্রীরা স্কুলে যেতে পারেনা, নারী শ্রমিকদের কাজে যেতে কষ্ট হয়। মানববন্ধনে যোগ দিয়ে চা শ্রমিক শিশু অর্চি নাইডু বলে, বাগানে আমরা একটা সরকারি স্কুল চাই। আমাদের এখান থেকে সরকারি স্কুল অনেক দূরে, আমরা যেতে পারিনা।

 

স্থানীয় ইউপি সদস্য বেলাল আহমদ বলেন, আমাদের একটাই দাবি আগামী নির্বাচনের আগে রাস্তা পাকা করা হোক। প্রতি নির্বাচনের আগে এমপিরা আশ্বাস দেন, কিন্তু নির্বাচনের পরে আর কারো খোঁজ পাওয়া যায় না। বাগানের সহস্রাধিক শ্রমিক কাদার কারণে বর্ষাকালে কষ্টে চলাচল করছেন।


আরও পড়ুন
Theme Created By ThemesDealer.Com