Logo
সর্বশেষ :
রাজনগর উপজেলায় এসএমসি‘র উদ্দ্যোগে বন্যা কবলিত গোল্ডস্টার মেম্বারদের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ স্বামীর মুখে তালাকের কথা শুনে অভিমানে গৃহবধূর আত্মহত্যা জঙ্গল সলিমপুর নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন, কিন্তু গোলাবাড়ি কেন নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছেন না?— প্রশ্ন এমপি মনিরুলের যশোরে দুই কোটি টাকার ১৩ পিচ স্বর্ণের বারসহ এক পাচারকারী আটক পাবনায় বালু উত্তোলন নিয়ে দুইগ্রুপের সংঘর্ষ, বিএনপিকর্মী নিহত জামালপুরে আন্তর্জাতিক মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী দিবস পালিত ছেলেকে বিমানে উঠিয়ে দিয়ে স্টোক করে বাবার মৃত্যু চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১৪ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার ট্রেনের ইঞ্জিনে বস্তাভর্তি গাঁজা, আখাউড়ায় র‍্যাবের অভিযানে লোকোমাস্টার আটক নোয়াখালীতে মাদকবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবসে র‍্যালি ও আলোচনা সভা

সাহরির সময় মাইকে অতিরিক্ত ডাকাডাকি বন্ধ হওয়া উচিত : আহমাদুল্লাহ

রাজকথা ডেস্ক :
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ, ২০২৩

সেবামূলক প্রতিষ্ঠান আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ মনে করেন ভোর রাতে সাহরির সময় মসজিদের মাইকে অতিরিক্ত ডাকাডাকি এবং গজল গাওয়ার প্রথা বন্ধ হওয়া উচিত। সোমবার (২৭ মার্চ) ফেসবুকে নিজের ভেরিফাইড একাউন্টে দেয়া এক স্ট্যাটাসে এ কথা জানান তিনি।

 

 

আহমাদুল্লাহ তার স্ট্যাটাসে লিখেন, একটা সময় মানুষের প্রয়োজনেই হয়তো ডাকাডাকির এই প্রথা চালু হয়েছিল। কিন্তু এখন প্রতিটা বাড়িতেই ঘুম ভাঙানোর মতো দু চারটা এলার্ম ঘড়িবিশিষ্ট মোবাইল ফোন আছে। এ সময়ে এসে ঘুম ভাঙানোর জন্য মাইকের মাত্রারিক্ত ডাকাডাকি নিষ্প্রয়োজন; বরং বিরক্তিকর। কারণ সাহরির ওই সময়টা তাহাজ্জুদ এবং দোয়া কবুলের সময়। ওই সময় মাইকের আওয়াজ ইবাদতকারীদের ইবাদতে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে। তাছাড়া ঋতুবতী নারী, অসুস্থ, শিশু এবং অমুসলিমদের ঘুমেরও ব্যাঘাত সৃষ্টি করে মাইকের আওয়াজ।

 

 

তিনি আরও লেখেন, যেখানে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটিয়ে উচ্চস্বরে কুরআন তেলাওয়াত করতে নিষেধ করেছেন স্বয়ং রাসুল সা., সেখানে অনেক সময় ধরে মাইক বাজানো কতটা যুক্তিসঙ্গত এবং ইসলাম-সঙ্গত? হ্যাঁ, সাহরির শুরুতে এবং শেষে এক-দু বার ডেকে দেয়া যায়। কিন্তু লাগাতার ডাকাডাকি, গজল, হামদ-নাত গাওয়া মোটেও কাম্য নয়। আমাদের এই সকল কর্মকাণ্ডের জন্য অনেকে ইসলামের প্রতি বিতৃষ্ণ হয়ে যায়।

 

 

এ আলেম স্ট্যাটাসে আরও বলেন, অনেকে হয়তো আজানের কথা বলবেন- ফজরের আজানের কারণেও তো ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। আসলে আজান এবং সাহরির ডাকাডাকি দুটো ভিন্ন জিনিস। আজান ইসলামের শিআর। তাছাড়া আজান খুবই সংক্ষিপ্ত সময় নিয়ে হয় এবং ফজরের আজান গভীর রাতেও দেয়া হয় না। এ কারণে দুটোকে এক করে দেখার সুযোগ নেই। ইসলাম পরিমিতিবোধের ধর্ম। ইসলামের এই পরিমিতিবোধ সমাজের সকল স্তরে প্রয়োগ হলে আমাদের জীবন সহজ এবং সাবলীল হবে।


আরও পড়ুন
Theme Created By ThemesDealer.Com